মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ভাষা ও সংস্কৃতি

এই এলাকার লোকজন সাধারণত দেশীল ভাষায় তার মনের মাধুরী মিশানো শব্দ দিয়ে ভাব প্রকাশ করে থাকে। যাকে আমরা আঞ্চলিক ভাষা বলে থাকি। সর্ব অঞ্চলের আঞ্চলিক ভাষা থাকে। মূলত এই আঞ্চলিক ভাষাই পরিমার্জিত হয়ে লিখিত আকারে বব্যহার করা হয়। মূল বাংলা ভাষার অপভ্রংশের আরও খন্ড খন্ড রূপে অপভ্রংশিত হয়ে এখনকার মানুষ কথা বলে যাকে অনেকেই নতুন রূপে ডাকে। তার নাম হল চাটগাঁইয়া ভাষা। বাংলা ভাষা বৃহত্তর চট্টগ্রামের মানুষ ব্যতিতত সকল জেলার মানুষের। এ ভাষা সম্পর্কে বেশ কৌতুহল লক্ষ্য করা যায়। কক্সবাজারের মানুষের সাথে পাশ্ববর্তী সীমান্ত দেশ মায়ানমার ‘র সাথে নিবিড় সম্পর্ক থাকায় এ অঞ্চলের মানুষের ভাষার সাথে মায়ানমা তথা আরকানী ভাষার সংমিশ্রন পাওয়া যায়। নিম্নে এই রুপ কথ্য ভাষার মিশ্ররুপ দেওয়া হলো:

 

আঞ্চলিক ভাষা              পরিভাষা

আঁই                              আমি

রাইত                            রাত

গইরগম                         করব

তেঁতই                           তেঁতুল

হতা                              কথা

হাইয়ম                           খাব

গোস্যা                           রাগ

কদু                               লাউ

 

লক্ষ্যারচর : ইউনিয়নে মুসলিম ও হিন্দু  জনগোষ্টি ধর্মীয় সহিষ্ণুতার মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণবাবে বসবাস করে আসছে। এর একমাত্র কারণ হল সংস্কৃতির বিকাশ। এখানে প্রায় সময় সংস্কৃতির চর্চা হয়। বিশেষ করে ইউনিয়নের অন্ত:র্ভূক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় সমূহে প্রতি বৎসর তাদের বার্ষক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পালন কালীণ সময় চাটগাঁইয়া ভাষার আঞ্চলিক গান, জারী, সারি গান, লোকগীতি, ভাওয়াইয়া, পল্লীগীতি আধুনিক থেকে শুরু করে নজরুল সংগীত ও রবীন্দ্র সংগীত চর্চা করা হয়।


Share with :

Facebook Twitter